বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

একাধিক সন্ত্রাসী দল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ৩৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে



8bcbdb1414a3451a4cc0b64744c8cf94-5d638561cc48f

অনলাইন ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ এলাকার ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একাধিক সন্ত্রাসী দল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এরা চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে খুন-ধর্ষণ-চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই সব করে বেড়ায়। অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থেকে শুরু করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হরহামেশাই মহড়া দেয় তারা। রাতের পরিবেশ হয়ে ওঠে আরও বেশি ভয়ঙ্কর। সংঘবদ্ধ এসব সন্ত্রাসী দলের সদস্যদের নেপথ্যে থেকে মদদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অনেক সিআইসি বা ক্যাম্প ইনচার্জের বিরুদ্ধেও। সরেজমিন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পুলিশের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন বলেন, ‘কিছু রোহিঙ্গা সংঘবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। এজন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করার চেষ্টা করি। যদিও একসঙ্গে এত লোক অবস্থান করার কারণে পুরো জায়গাটাই ভালনারেবল। আমরা এখনও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য আমাদের আরও সতর্কতার সঙ্গে কিছু কর্মপরিকল্পনা করার প্রয়োজন। সেসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সন্ত্রাসী দল হিসেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক  নম্বরে রয়েছে আরসা বা আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি। যাদের মিয়ানমারের ভাষায় তানজিম ও আরবি ভাষায় আল ইয়াকিন বলা হয়। কিন্তু ক্যাম্পের স্থানীয়রা তাদের হালেকিন বলে ডাকে। মৌলভি আয়াছ, মোহাম্মদ মুছা ও আরমান নামে তিনজন এই সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ নেতা। তাদের দলে সরাসরি সক্রিয় রয়েছে অন্তত ১৩৫ জন। এছাড়া নবী হোসেন গ্রুপের নেতা নবী হোসেন। তার বাবার নাম মোস্তাক আহমেদ। তার দলে অন্তত ৭২ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া আরেকটি গ্রুপ হলো দীল মোহাম্মদ ওরফে মার্সগ্রুপ। এর নেতৃত্ব দিচ্ছে দীল মোহাম্মদ ওরফে মার্স। তার দলে অন্তত ২৯ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে। হিট পয়েন্ট বা কলিম উল্লাহ গ্রুপের নেতা কলিম উল্লাহ। তার দলে রয়েছে অন্তত ২০ জন সদস্য। মৌলভী শহীদুল গ্রুপের নেতা শহীদুল ইসলাম। তার দলে রয়েছে অন্তত ৭৬ জন সদস্য। এছাড়া মৌলভী আইয়াছ গ্রুপ, আলম গ্রুপ ও হাসিম গ্রুপের সদস্যরাও সক্রিয়।