বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

এবার টেস্ট ‘বিশ্বকাপ’, অংশ নেবে বাংলাদেশসহ ৯ দল



133225ICC_kalerkantho_pic

ওয়ানডে বিশ্বকাপ শেষ না হতে আরো এক বিশ্বকাপ। এক বা দুই মাস নয়, এর ব্যাপ্তি তিন বছর! টেস্ট ক্রিকেটকে আরো আকর্ষণীয় করতেই এমন উদ্যোগ আইসিসির। টেস্টের দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলো ১ আগস্ট থেকে অন্তর্ভুক্ত ‘ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ’ নামে। র‍্যাংকিংয়ে সেরা নয়ে থাকা দলগুলো অংশ নেবে এই ‘বিশ্বকাপে’। তাতে শামিল বাংলাদেশও। ২০২১ সাল পর্যন্ত চলা এই চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারিত হবে কিভাবে? জেনে নেওয়া যাক।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের টেস্ট দিয়ে ১ আগস্ট টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরু হচ্ছে বার্মিংহামে। আর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালের জুনে লর্ডসে। প্রথম আসরে অংশ নেওয়া ৯ দলই খেলবে ছয়টি করে সিরিজ। প্রতিটি সিরিজের পয়েন্ট ১২০। ছয় সিরিজে মোট পয়েন্ট ৭২০। সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দুই দল নাম লেখাবে লর্ডসের ফাইনালে। এরপর দ্বিতীয় অধ্যায় চলবে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত।

দলগুলো ছয় সিরিজের তিনটি দেশে আর তিনটি খেলবে প্রতিপক্ষের মাঠে। আইসিসি নিশ্চিত করবে প্রতিটি দল র‍্যাংকিংয়ে ওপর ও নিচের দিকে থাকাদের বিপক্ষে যেন খেলার সমান সুযোগ পায়। প্রশ্ন হচ্ছে অ্যাশেজে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া খেলে ৫ টেস্ট। সেই ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ গেলে সুযোগ পায় দুই টেস্ট খেলার। তখন কিভাবে পয়েন্ট বণ্টন হবে? সমাধানও বের করে ফেলেছে আইসিসি। টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা যা-ই হোক, সিরিজের পয়েন্ট সেই ১২০। ধরা যাক বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড খেলছে দুই টেস্টের সিরিজ। তখন প্রতিটি টেস্ট জয়ের জন্য পয়েন্ট সমান ৬০। তাহলে দুই টেস্টে জিতলে কোনো দল পেতে পারে সর্বোচ্চ ১২০। ‘টাই’ হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি হবে সমান ৩০ করে। আর টেস্ট ড্র হলে দুই দল পাবে সমান ২০ পয়েন্ট। মানে টাই হলে জয়ের অর্ধেক আর ড্রতে পাবে জয়ের তিন ভাগের এক ভাগ পয়েন্ট।

একই ভাবে ৩ টেস্টের সিরিজে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য পয়েন্ট ৪০। টাই হলে ২০ আর ড্রতে ১০। ৪ টেস্টের সিরিজে ম্যাচ জয়ের জন্য ৩০ আর ৫ টেস্টের সিরিজে সেটা কমে দাঁড়াবে ২৪-এ। পাঁচ টেস্টের সিরিজে প্রতিটি ড্রতে দুই দলের পয়েন্ট মাত্র ৮।

২০২১ সাল পর্যন্ত ফাইনালের আগে ইংল্যান্ড খেলবে সবচেয়ে বেশি ২২ টেস্ট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ টেস্ট অস্ট্রেলিয়ার। এরপর ভারত ১৮টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড খেলবে সমান ১৪টি করে টেস্ট। সবচেয়ে কম ১৩টি করে টেস্ট খেলবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এই দলগুলোর সঙ্গে ২০২১ পর্যন্ত খেলবে দুই নবাগত আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানও। তবে তাদের বিপক্ষে খেলা সিরিজ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়।

এই নিয়ে ক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাতকারে আইসিসির মহাব্যবস্থাপক জিওফ অ্যালারডাইস জানালেন, ‘আমরা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্ব দিতে চাই।’

সূত্র : ক্রিকেটনেক্সট