শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ধনীর তালিকায় সিলেটের ইকবাল



ইকবাল আহমদ

ইকবাল আহমদ

অনলাইন ডেস্কঃ 

যুক্তরাজ্যে শীর্ষ ধনীর তালিকায় এবারও স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিলেটের বালাগঞ্জের সন্তান ইকবাল আহমদ। দেশটির প্রভাবশালী দৈনিক ‘দ্য সানডে টাইমস’ প্রকাশিত ১ হাজার শীর্ষ ধনীর তালিকায় তাঁর অবস্থান ৫৬৩তম। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২১ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দুই হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। রোববার ‘দ্য সানডে টাইমস রিচ লিস্ট-২০১৯’ শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা যায়।

ইকবাল আহমদ ২০০৪ সাল থেকেই যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ১ হাজার ধনাঢ্য ব্যক্তির একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছেন। এ তালিকায় ইকবাল আহমদ একমাত্র বাংলাদেশি। গত বছর তাঁর অবস্থান ছিল ৫৬০তম। এবার অবস্থান তিন ধাপ পেছালেও তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। সানডে টাইমস বলছে, গত এক বছরে ইকবাল আহমদ ও তাঁর পরিবারের সম্পদ বেড়েছে ৩ মিলিয়ন পাউন্ড।

ইকবাল আহমদ সি-মার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারভিত্তিক এই কোম্পানির প্রধান ব্যবসা বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে খাদ্যপণ্য রপ্তানি ও সরবরাহ করা।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ইকবাল আহমদ বলেন, ২০০৪ সাল থেকে প্রতিবছরই তাঁর নাম এ তালিকায় উঠছে। বিষয়টি যদিও আনন্দের, কিন্তু এ নিয়ে তিনি খুব বেশি উচ্ছ্বসিত নন। তিনি বলেন, ‘ধনী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া বিব্রতকর। একজন পরিশ্রমী এবং সফল ব্যবসায়ী পরিচয়ে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’ তিনি আরও বলেন, নিজ থেকে তাঁরা কোনো তথ্য তালিকা প্রস্তুতকারীদের দেন না। বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য নিয়ে ‘সানডে টাইমস’ এ তালিকা প্রস্তুত করে।

ইকবাল আহমদ বলেন, তাঁরা তিন ভাই মিলে ব্যবসা পরিচালনা করেন। সবাই পরিশ্রমী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী। কারও কাছ থেকে কিছু নকল না করে নিজেরাই নতুন নতুন পণ্য তৈরি করেন। চট্টগ্রাম, কক্সবাজারে তাঁদের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের নিজস্ব কারখানা রয়েছে। কোম্পানির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা নিজেদের দায়িত্বের ব্যাপারে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করেন। এগুলোই তাঁদের ব্যবসায়িক সফলতার অন্যতম নিয়ামক।
এবার ২২ বিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদ নিয়ে ওই তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন ভারতীয় দুই ভাই শ্রীচান্দ ও গোপিচান্দ হিন্দুজা। গত এক বছরে ব্যবসায়ী দুই ভাইয়ের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১ দশমিক ৩৫৬ বিলিয়ন পাউন্ড।

সুত্রঃ প্রথম আলো