বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

নির্বাচনের আগে মুক্তি পাচ্ছেন না নওয়াজ শরীফ



1531830521
অনলাইন ডেস্ক:
নির্বাচনের আগে মুক্তির সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল কারাবন্দি পাকিস্তানের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান মুসলিম লিগ (পিএমএল) এন নেতা নওয়াজ শরীফ, তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ ও মেয়ের জামাই অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ সফদারের। সাজার রায় নিয়ে কারাগারে থাকা এই তিনজনের আপিল শুনানি জুলাই এর শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। সে কারণেই আগামী ২৫ জুলাই হতে যাওয়া পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের আগে তাদের মুক্তির সম্ভাবনা নেই বলে দেশটির গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট তাদের করা পৃথক সাতটি আপিলের শুনানি জুলাই এর শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মুলতবি করেছে। আদালতে নওয়াজের পক্ষে করা তিনটি এবং তার মেয়ে ও জামাই এর পক্ষে করা দুটি করে আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বিচারপতি মহসিন আখতার কায়ানি ও বিচারপতি মিয়াংগুল হাসান আওরঙ্গজেবের হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ পরে শুনানি মুলতবি করেন। হাইকোর্ট প্রশাসন থেকে বলা হয়, যেহেতু সংশ্লিষ্ট বেঞ্চকে নোটিশ প্রদান করা হয়নি তাই তাদের আপিল জুলাই এর শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মুলতবি করা হলো।
মুলতিবর আগে নওয়াজের পক্ষে খাজা হ্যারিস হাইকোর্টে মুনানি করেন। তিনি বলেন, অ্যাকাউন্টেবিলিটি কোর্ট রায়ে নওয়াজের আয় কত এবং তার সম্পত্তির পরিমাণ কত সেসম্পর্কে কিছু উল্লেখ করেনি। আদালতের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অ্যাভেনফিল্ড অ্যাপার্টমেন্টে নওয়াজের মালিকানা লাভ সংক্রান্ত কোনও রেকর্ড উপস্থাপন করতে পারেনি।
পরে মরিয়ম ও তার স্বামীর পক্ষে আমজাদ পারভেজ শুনানি করেন। তিনি বলেন, ১৭৪ পৃষ্ঠার রায়ে সফদারের কথা শুধু এক জায়গায় উল্লেখ আছে। এরপরও তাকে এক বছরের দণ্ড দেয়া হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির দিনে তদন্ত কর্মকর্তাকে মামলার যাবতীয় তথ্যাদি উপস্থাপনের জন্যও নোটিশ জারি করেন।
উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই নওয়াজ শরীফকে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জনের দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। এছাড়া তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে সাত বছর ও মরিয়মের স্বামী মোহাম্মদ সফদারকে এক বছরের কারাদণ্ড দেয় অ্যাকাউন্টেবিলিটি কোর্ট। রায়ের সময় স্ত্রী কুলসুম নওয়াজের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে ছিলেন নওয়াজ ও তার মেয়ে মরিয়ম। এ অবস্থায় গত সপ্তাহে দেশে ফিরে বিমানবন্দর থেকেই গ্রেফতার হন তারা। সেই থেকে এখন তারা কারাগারেই আছেন। আর দেশে থাকা সফদার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।