বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

একরামুলের স্ত্রী-কন্যার দিকে তাকিয়ে, নিজের স্ত্রী-কন্যাকে দেখুন



gulam mortoja

গোলাম মোর্তোজা:

কতবার যে অডিও ক্লিপটি শোনার চেষ্টা করেছি, ব্যর্থ হয়েছি প্রতিবারই। একবারও পুরোটা শুনতে পারলাম না। সত্যি বলছি, পুরোটা না শুনে লিখছি। আসলে লিখছি না, লেখার চেষ্টা করছি। অক্ষর- শব্দগুলো কেমন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। চিন্তাগুলো খাপছাড়া- বিক্ষিপ্ত। গুলির যে শব্দ অডিও ক্লিপে শুনলাম, তা লেখার শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। গুলিবিদ্ধ মানুষের গোঙানির শব্দ কানের ভেতরে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। কান থেকে বের করতে পারছি না। ‘… আমার জামাই কিছু করে নাই যে … আপনারা কোথায় … হ্যালো হ্যালো … আব্বু … আ…ব…বু…।’

কমিশনার একরামুলকে চিনি না, জানি না। তার স্ত্রী-কন্যাদের চেনার জানার কোনো কারণ নেই। একরামুলের স্ত্রীর সরবরাহ করা অডিও ক্লিপের হাহাকার, ভেতরটা ওলট-পালট করে দিচ্ছে।

আপনি, হ্যাঁ আপনাকে বলছি। হয়তো অডিও ক্লিপটি শুনেছেন বা শোনার চেষ্টা করেছেন। স্বাভাবিক থাকতে পেরেছেন? ভয়-আতঙ্ক-ক্ষুব্ধতা-ক্ষিপ্ততা, আপনাকে জাপটে ধরেনি? নিশ্চয় ধরেছে, যদি আপনি মোটামুটি বোধ-বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হয়ে থাকেন।

২.

ধরুন, আপনাকে কেউ রাতের বেলায় ফোন করে যেতে বললেন। স্ত্রী-সন্তানরা যেতে দিতে চাইলেন না। আপনাকে যেতে হলোই। তাকান আপনার স্ত্রী-সন্তানের মুখের দিকে। ভাবুন একবার, কেমন হতে পারে তাদের মানসিক অবস্থা! অথবা ধরুন, কেউ আপনাকে ডেকে নিলেন না। এমনিতেই বাইরে গেলেন। স্ত্রী-সন্তানেরা বাসায় আপনার জন্যে অপেক্ষা করছেন। নির্দিষ্ট সময়ের পরেও আপনি ফিরছেন না। স্ত্রী-সন্তান বারবার ফোন করছেন। ‘অমুক জায়গায় যাচ্ছি, চলে আসব…’ পুরোটা বলতে পারছেন না। আপনার স্ত্রী-সন্তান পুরোটা না বুঝলেও বিপদে যে আছেন, তা বুঝতে পারছেন। আবারও তাকান আপনার স্ত্রী-সন্তানের মুখের দিকে। পড়ুন স্ত্রী-সন্তানের হৃদয়ের ভাষা।

ধরুন, আপনার কন্যা বলছেন, ‘হ্যালো … আব্বু তুমি কোথায়?’ ‘মা আমি হ্নীলা যাচ্ছি, চলে আসব’ চলে যে আসতে পারবেন না, না ফেরার দেশে যে চলে যাবেন বা যাচ্ছেন, নিজে বুঝতে পারছেন। অনেক চেষ্টা করেও কান্না লুকাতে পারলেন না। কন্যা টেলিফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলছেন, ‘আব্বু তুমি কান্না করতেছ যে…।’

এবার তাকান আপনার কন্যার মুখের দিকে। তাকাতে পারছেন, আছে কোনো অনুভূতি শরীরে?

ধরুন, স্ত্রী বলছেন, হ্যালো … হ্যালো …। ফোন আপনি ধরেছেন বা কেউ একজন ধরলেন। কোনো কথা নেই … নানা শব্দ আছে। ধাম করে গুলির শব্দ, গুলিবিদ্ধ মানুষের গোঙানির শব্দ … আপনার স্ত্রী তা শুনছেন। একটু আগে স্ত্রী-কন্যা আপনার সঙ্গে কথা বলেছেন। এখন গুলি-গোঙানির শব্দ শুনছেন।

যা লিখছি, তা কি আপনি ভাবতে পারছেন? কল্পনায় অনুধাবন করতে পারছেন? ঘামছেন, না হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে? বুকের বাঁ পাশটা কি চিনচিন করে ব্যথা করছে?

কাউন্সিলর একরামুলের স্ত্রী-কন্যাদের সঙ্গে, ঠিক এমনটাই ঘটেছে।

৩.

যিনি বা যারা একরামুলকে ডেকে নিয়েছিলেন, নিশ্চয়ই তার বা তাদেরও স্ত্রী আছেন, আছেন সন্তান। হয়তো তার বা তাদেরও দুটি কন্যা আছে, ঠিক একরামুলের কন্যাদের মতোই। তারাও প্রতিদিন বা রাতে বাবার ফিরে আসার প্রতীক্ষায় থাকেন। দিনে কয়েকবার ফোন করে খবর নেন। কখন আসবেন, জানতে চান?

উত্তর হয়তো একরামুলের মতোই হয় ‘জরুরি কাজে যাচ্ছি, চলে আসব মা…, ঘুমাও…।’ ঘুরে-ফিরে মানুষের জীবন তো একই রকম। কিন্তু একরামুলদের যারা ডেকে নেন, ধরে নেন, গুলি করে হত্যা করেন, তাদের কি মন-হৃদয় নেই? এত ঠান্ডা মাথায় মানুষের পক্ষে মানুষকে হত্যা করা সম্ভব!

আপনি অডিও ক্লিপে শুনছেন। পুরোটা শুনতে পারছেন না, বিচলিত হয়ে পড়ছেন। গুলি করার আগের একরামুলের মুখটা একবার ভাববার চেষ্টা করে দেখেন তো। কেমন ভয়-আতঙ্ক তার চেহারায় ফুটে উঠেছিল? স্ত্রী-কন্যাদের কথা ভাবার সময় পেয়েছিলেন একরাম, গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগে!

ভাবুন তো একবার তাদের কথা, যারা গুলি করছিল, গোঙানির আওয়াজ শুনছিল-দেখছিল! কেমন হৃদয়- মনের মানুষ তারা!

৪.

তার নাম ছিল নুরুজ্জামান জনি। তাকে গোয়েন্দা পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিল। জনির লাশে ১৮টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। পুলিশের ভাষ্যানুযায়ী জনি নিহত হয়েছিল ‘বন্দুকযুদ্ধে’। এমন বহু জনির উদাহরণ দেওয়া যায়। সেদিকে যাচ্ছি না। জনির উদাহরণ সামনে আনার কারণ, জনি ছিল খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। তার রাজনৈতিক পরিচয় বিএনপি। জনি ‘সন্ত্রাসী-মাস্তান’ একথা অনেককে বলতে শুনেছি। জনি সন্ত্রাসী-মাস্তান না ভালো মানুষ, জানি না। জানাটা গুরুত্বপূর্ণও নয়। সন্ত্রাসী-মাস্তানের শাস্তি দেয়ার জন্যে আইন আছে। বিনা বিচারে হত্যা করার আইন নেই। তারপরও বিচার ছাড়া জনিকে জীবন দিতে হয়েছিল। জনি যখন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়, তখন তার স্ত্রী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পেটে অনাগত সন্তানকে ধারণ করে স্ত্রীর স্বামী হারানোর হাহাকার, আকাশ-বাতাস ভারী করে তুলেছিল।

একরামুল ১৩ বছর টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তিন বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর। মৃত্যুর সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। মানুষ হিসেবে কেমন, সৎ না অসৎ কিছুই জানি না। আওয়ামী লীগ গত ১০ বছর ক্ষমতায়, ১৩ বছর টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি, তিন বারের কাউন্সিলর যখন মধ্যবিত্ত জীবনযাপন করেন, তখন আর যাই হোক তাকে অসৎ বা ইয়াবা চোরাচালানের গডফাদার তো নয়ই, সাধারণ চোরাচালানিও বলতে পারি না। যদিও একটি স্যাটেলাইট চ্যানেল পুলিশের সূত্রকে নিজেদের অনুসন্ধান বলে একরামুলকে ইয়াবা চোরাচালানি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। এখন সেই পরিচয়ের সত্যতা মিলছে না।

এলাকার সাধারণ মানুষ বা রাজনীতিবিদরা তাকে মাস্তান বা চোরাচালানি হিসেবে চেনেন না, জানেন না। একজন ভালো রাজনীতিবিদ বা কাউন্সিলর হিসেবেই পরিচিত ছিলেন একরামুল। একজন কাউন্সিলর ‘ভালো রাজনীতিবিদ’ হিসেবে পরিচিত, বিষয়টি বাংলাদেশের বাস্তবতায় খুব স্বাভাবিক নয়।

কেউ কেউ এখন বলছেন মিডিয়া একরামুলকে ইয়াবা গডফাদার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েই তার সর্বনাশ করেছে। নিঃসন্দেহে ক্ষতি করেছে। একটি স্যাটেলাইট চ্যানেল একজনকে ইয়াবা গডফাদার বলল, আর তা সরকারের কাছে বিশ্বাসযাগ্য হয়ে গেল, নিজস্ব সংস্থা বা অনুসন্ধানের কোনো বিষয় নেই? গণমাধ্যমের সংবাদকে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়? বদিকে নিয়ে কত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে- হচ্ছে, এক্ষেত্রে সবাই মিলে বলছেন ‘প্রমাণ নাই’। কার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ, একরামের না বদির?

৫.

একরামুল-জনি, দুজন মানুষ। দুই রকমের পরিচয়। বলছি রাজনৈতিক পরিচয়ের কথা। আওয়ামী লীগ-বিএনপি, পরিণতি দুজনের একই রকম, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মৃত্যু। যারা ভাবছেন আপনি আপনারা অন্য দলের নন, আপনারা নিরাপদ। ভাবনায় যে কত বড় ভুল আছে, একরামুল তার প্রমাণ।

জনিরাও তখন ভেবেছিল, তারা নিরাপদ। তখনও তারা নিরাপদ ছিল না। সেই সময়ও ছাত্রদল- যুবদল- বিএনপির নেতা- কর্মী- ক্যাডাররা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তখন নাম ছিল ‘ক্রসফায়ার’। সেই সময় বেঁচে গিয়েছিল শুধু জামায়াত- শিবির।

ইনিয়ে-বিনিয়ে যারা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সমর্থন করেন, সেই আপনারা কি নিরাপদ! বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড যে সমাজে ‘বৈধ’ সেই সমাজে কেউ নিরাপদ নন।

‘ক্রসফায়ার’র বিরুদ্ধে ছিল আওয়ামী লীগের অবস্থান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেব দায়িত্ব নিয়ে ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ‘ক্রসফায়ার’ প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, ‘বাঘ একবার মানুষের রক্তের স্বাদ পেয়ে গেলে, তাকে থামানো কঠিন।’

বক্তব্যের ব্যাখ্যা বা তাৎপর্য বিশ্লেষণ করছি না। সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাস্তবায়ন করে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ‘বন্দুকযুদ্ধ’ চলছে। সরকার সিদ্ধান্ত নিক ‘বন্দুকযুদ্ধ’ চলবে না, বন্ধ হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার এমন নীতির কথাই জানি।

আপনার দলীয় পরিচয় যাই হোক,আপনি- আপনার স্ত্রী- সন্তান, বাবা- চাচা- মা- বোন, যে কারও পরিণতি একরামুল বা তার স্ত্রী- কন্যার মত হতে পারে। যারা গুম হয়ে গেছেন, তাদের স্বজনদের কথাও একবার কল্পনায় দেখার চেষ্টা করতে পারেন। আজ ‘ও’ ফিরছেন না, কাল হয়ত ‘আপনি’ ফিরবেন না। আজ ‘ও’  সন্তানের জন্যে হাহাকার করছেন, কাল যে একই রকম হাহাকার আপনাকে করতে হবে না, তা জানেন না।

৬.

প্রকাশিত অডিও ক্লিপ খতিয়ে দেখবে র‍্যাব। ভালো কথা।

আমাদের সংস্কৃতিতে সেটাই ‘খতিয়ে’ দেখার কথা বলা হয়, যেটার প্রমাণ থাকে।

নারায়ণগঞ্জের সাত অপহরণ- হত্যা, খতিয়ে দেখা হয়েছিল- লাশগুলো ভেসে উঠেছিল বলে। সাঁওতাল পল্লীর আগুন বা লিমনকে গুলি করে পঙ্গু করে দেওয়াটা, খতিয়ে দেখার ব্যাপারটা- দেশের মানুষের অজানা নয়।

এখন যারা সোচ্চার হয়েছেন, তাদের একটা অংশ বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ডের সমর্থক। মূলত এসব হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার পেছনের একটা বড় শক্তি এরাই। এদের সমর্থনের কারণেই কর্তাব্যক্তিরা বলতে পারেন ‘মহৎ কাজ- জনগণ খুশি।’

জেনে- বুঝে অসত্যের পক্ষে অবস্থান নেন তারা। একটির প্রমাণ পাওয়া গেলে বলেন ‘বিচার চাই’। তারপর বলেন ‘দেখেন কাউকে ছাড়া হচ্ছে না। যেখানে যা ঘটছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

‘ব্যবস্থা’ নেওয়ার নাম অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার- জেল- বিচার। ফিরিয়ে দেওয়া যায় না সেই সাত জনের জীবন।

একরামের দলীয় পরিচয় এবং অডিও ক্লিপ প্রকাশিত না হলে, এরা কেউ কোনো কথা বলতেন না।

‘খতিয়ে’ দেখে ‘ব্যবস্থা’ই যদি নেওয়া হবে, নারায়ণগঞ্জের ঘটনা জানার পরও ‘বন্দুকযুদ্ধ’কে বৈধতা দেওয়া হলো কেন? আপনারা একরাম হত্যার বিচার চান, মাদকমুক্ত দেশ- সমাজ চান, না ‘বন্দুকযুদ্ধ’র অবসান চান?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এটাকে ‘ভুল’ হিসেবে দেখছেন। তার বক্তব্যের মর্মার্থ ‘ভুল’ মানে একজনের পরিবর্তে আরেকজন নিহত হয়েছেন। ‘বন্দুকযুদ্ধ’ মানে যে অডিও ক্লিপের বিবরণ, তা হয়ত অজান্তেই  স্বীকার করে নিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। ‘খতিয়ে’ দেখার কথা তিনিও বলেছেন। (খতিয়ে দেখাটা খুব জরুরি। ডেইলি স্টার নিজেও অডিও ক্লিপগুলোর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। সরকার যদি খতিয়ে দেখে সত্যতা নিশ্চিত করে সেটা সব মহলের জন্যই ভালো।)

কী খতিয়ে দেখবেন? কণ্ঠ একরামুলের কিনা, স্ত্রীর কিনা, কন্যাদের কিনা? কে কীভাবে কথোপকথন রেকর্ড করলেন, তা খতিয়ে দেখবেন? কী করে প্রকাশ্যে এল তা দেখবেন? ব্যবস্থা নেবেন? কার বিরুদ্ধে, কী ব্যবস্থা?

একরামুল কি ফিরে আসবেন? স্ত্রী-কন্যাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে একরামুলকে? জনির স্ত্রী কি স্বামীকে ফিরে পাবেন? সন্তান দেখবেন, ডাকবেন তাকে বাবা বলে?

এখন অভিযান চলছে ইয়াবার টাকায় গড়া বাংলো বাড়িগুলোতে।

অথচ ইয়াবা এসেছে চোখের সামনে দিয়ে, বাংলোগুলো তৈরি হয়েছে চোখের সামনে। পত্রিকায় লেখা হয়েছে, অভিযান চলেনি। এতদিন পর অভিযানের নামে চলছে ‘বন্দুকযুদ্ধ’। আবার অভিযানের মধ্যেই বড় ইয়াবা গডফাদাররা এলাকা ছেড়েছেন।

এই বাস্তবতায়, শুধু একরামুলকে নিয়ে হইচই করে লাভ নেই। অন্য ১২০ বা ১৩০ জনেরও স্ত্রী-সন্তান আছেন। তারা অডিও ক্লিপ রেখে মারা না যাওয়ায়, আপনাকে নাড়া দিতে পারেনি। ‘খতিয়ে’ দেখার প্রসঙ্গ আসেনি।

স্বামী- স্ত্রী, পিতা- কন্যার সম্পর্ক তাদেরও হয়ত এমনই ছিল। তাদের সন্তানও নিশ্চয়ই বলতেন ‘আব্বু কখন আসবে…আব্বু তুমি কান্না করতেছ যে…’।

আমরা মাদকমুক্ত সমাজ-দেশ চাই। অপরাধীদের বিচার শাস্তি চাই। বিচারহীন হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা গুনতে চাই না।

সৌজন্যে: ডেইলি স্টার