সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

আবারো বন্ধ চুনাপাথর আমদানি



laim stone

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারত থেকে চুনাপাথর আমদানি আবারো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছাতকসহ বৃহত্তর সিলেটের চুনাপাথর ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। প্রায় ৩ মাস ধরে চেলা, ইছামতি ও ভোলাগঞ্জ রুটে চুনাপাথর আমদানী বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা কাটাচ্ছেন অলস সময়। চুনাপাথর আমদানী বন্ধ থাকায় এখানের শতাধিক চুন উৎপাদন কারখানার মালিকদের প্রতিমাসে গুনতে হচ্ছে লাখ-লাখ টাকা গ্যাস বিল। কাঁচামালের অভাবে চুন কারখানাগুলো প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এদিকে চুনাপাথর আমদানী স্বাভাবিক রাখতে  ছাতক লাইমষ্টোন ইম্পোর্টার্স এন্ড সাপ্লায়ার্স গ্রুপের পক্ষে গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রিজের পরিচালক আহমদ শাখাওয়াত সেলিম চৌধুরী রবিবার এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মাতলুব আহমদের সাথে এক জরুরী বৈঠকে মিলিত হন। এসময় ভারত থেকে চুনাপাথর আমদানী বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের বর্তমান নাজুক অবস্থা তুলে ধরে সব রুটে চুনাপাথর আমদানী স্বাভাবিক রাখতে আবারো তাঁর সহযোগিতা চান তিনি। এসময় চুনাপাথর আমদানীতে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চিফমিনিষ্টার মুকুল সাংমারসহ সংশি¬ষ্টদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন বলে সেলিম চৌধুরী জানান।

ভারতের মেঘালয়ের হাইকোর্ট একটি রীট আবেদনের প্রেক্ষিতে ‘মাইন বিষ্ফোরনের’ উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলে মেঘালয়ের ফরেষ্ট বিভাগ ২০১৫ সালের ৩০ জুলাই থেকে বাংলাদেশে চুনাপাথর রপ্তানী বন্ধ করে দিয়েছিল। প্রায় ৭ মাস বন্ধ থাকার পর এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মাতলুব আহমদের সহযোগিতায় চুনাপাথর আমদানী শুরু হলেও তা বেশীদিন স্থায়ী হয়নি। এসময় ভারত থেকে চুনাপাথর আমদানীতে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে

২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মাতলুব আহমদের নেতৃত্বে ছাতক লাইমষ্টোন ইম্পোর্টার্স এন্ড সাপ্লায়ার্স গ্রুপের প্রেসিডেন্ট আহমদ শাখাওয়াত সেলিম চৌধুরীসহ একটি প্রতিনিধি দল ভারতে গিয়ে প্রায় সপ্তাহব্যাপী মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিক বৈঠক করে চুনাপাথর আমদানী নিশ্চিত করেছিলেন। কিন্তু আমদানী কয়েকমাস চলার পর গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আবারো চুনাপাথর আমদানী বন্ধ হয়ে পড়ে।