শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

চীন-আমেরিকা লড়াই?



8-11

সিলেট২৪ ডেস্ক:

সামরিক সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুত থাকা উচিত। এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে একটি চীনা ট্যাবলয়েড।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর সম্ভাব্য অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে চীনা ট্যাবলয়েডটি এ ঘোষণা দেয়। এখনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব রেক্স টিলারসন পাননি। তবে এই দায়িত্ব তিনি পেতে যাচ্ছেন বলে ঠিক করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

টিলারসনের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে চীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দৈনন্দিন ব্রিফিংকালে মুখপাত্র লু কাং লু বলেন, কোনো বিরোধিতা ছাড়া পারস্পরিক লাভ ও জয়-জয় সহযোগিতার ভিত্তিতে চীন-আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র) সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

জ্বালানি সমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগর আশপাশ দিয়ে প্রতি বছর পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য নিয়ে বাণিজ্য জাহাজগুলো চলাচল করে থাকে।

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যায়, দক্ষিণ চীন সাগর নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করছে ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম। তারপরও চীন ও দক্ষিণ চীন কয়েকটি কৃত্রিম দ্বীপ, সামরিক বিমান নামতে সক্ষম কয়েকটি বিমান ঘাঁটি ও বিমান বিধ্বংসী কামান স্থাপন করেছে।

বারাক ওবামার প্রশাসন মাঝে মধ্যে বিমান ও নৌবাহিনীর যান ব্যবহার করে দক্ষিণ চীন সাগরের আশপাশ দিয়ে টহল দিত। বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতো বেইজিং।

অতি-সম্প্রতি চীনা যুদ্ধ জাহাজ অঞ্চলটি থেকে একটি পানিতে ব্যবহার-উপযোগী একটি ড্রোন আটক করে। তবে কয়েকদিন পর ড্রোনটি ফেরত দেয়।

দক্ষিণ চীন সাগরের কৃত্রিম দ্বীপের ওপর অবরোধ আরোপের চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র কখনোই করেনি। গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়তে বলা হয়, দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য বিস্তারের কোনো ক্ষমতাই যুক্তরাষ্ট্রের নেই। ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক দল ভবিষ্যৎ চীন-আমেরিকা সম্পর্ককে যদি প্রভাবিত করার চেষ্টা করে বা চীন সাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে, তা হলে উভয়পক্ষই প্রস্তুত সামরিক সংঘাতে জন্য।