সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

বিশ্বম্ভরপুরে হালী চারার অভাবে জমি অনাবাদী থাকার আশংকা



সালেহ আহমদ, বিশ্বম্ভরপুর::hnm9876
বন্যায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় আমন ধানের অধিকাংশ বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হালী চারার অভাবে জমি অনাবাদী থাকার আশংকায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

সম্প্রতি পাহাড়ী ঢল ও বন্যার পানিতে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্টসহ বাড়ি-ঘরের ক্ষতি হয়েছে। শাক সবজি ও আমন ধানের হালী চারা দীর্ঘ ১৩-১৪ দিন পানির নীচে থাকায় হালী চারার ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বন্যায় উপজেলায় ১০০ হেক্টর বীজ তলা, ১২০ হেক্টর রোপা আমন, ৫০ হেক্টর সবজি পানিতে নিমজ্জিত ছিল।

ধনপুর ও সলুকাবাদ দু’টি ইউনিয়নের কৃষকরা আমন ধান ও সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। পলাশ ও বাদাঘাট (দ.) ইউনিয়নের অধিকাংশ কৃষক আমন ও সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এই ইউনিয়ন গুলোর পাহাড়ী ঢলে আমন ধানের বীজ তলার হালী চারা ও শাক-সবজি বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পুরো উপজেলায় হালী চারার সংকট দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে প্রতি শতাংশ হালী চারা ৮ শত থেকে ১ হাজার টাকায় বেচা কেনা হচ্ছে। ১ কেদার জমি রোপন করতে ৩ শতাংশ হালী চারা প্রয়োজন। প্রতি কেদারে হালী চারা ৩ হাজার টাকা প্রয়োজন। এমতাবস্থায় অনেক আমন জমি পতিত থাকার আশংকা দেখা দিয়েছে।