শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে লাখ মুসল্লির জুম্মার নামাজ আদায়



01-copy-620x330টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে তবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমায় আজ শুক্রবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় বৃহত্তম জুম্মার নামাজ। এতে টঙ্গী ও আশপাশের এলাকাসহ দেশ বিদেশের লাখ লাখ মুসুল্লি অংশ নেন। আজ শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের বৃহত্তম সম্মেলন বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। শুক্রবার আমবয়ানের মাধ্যমে শুরু হয় এর মূল আনুষ্ঠানিকতা।

বাদ ফজর আমবয়ানে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান। দুপুর দেড়টার পর জুম্মার নামাজে ইমামতি করেন কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ জোবায়ের। ইজতেমায় যোগদানকারী মুসুল্লি ছাড়াও জুম্মার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকার লাখ লাখ মুসুল্লি এসেছেন। মূলত ভোর থেকেই মুসুল্লিরা এখানে আসতে শুরু করে।

দুপুর ১২টার পরে ইজতেমা মাঠে জায়গা না হওয়ার কারণে পাশের খোলা জায়গাসহ বাসা বাড়ির ছাদেও অবস্থান নেন মুসুল্লিরা। এদিকে, এবারই প্রথম ১৬টি জেলার মুসুল্লিরা ইজতেমায় এসেছেন। একারণে ইজতেমায় আগত মুসুল্লিরা অনেকটা স্বাচ্ছন্দে প্যান্ডেলের ভেতরে অবস্থান নিয়ে ইবাদত বন্দেগী করছেন। ওযু-গোসলসহ প্রাত্যহিক কাজে তাদের তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ইজতেমায় চলাচলেও নেই কোনো দুর্ভোগ। এছাড়া ইজতেমা এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং টঙ্গী আশুলিয়া সড়কে যান চলাচলে আগের চেয়ে বেশি সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ও পরিকল্পনা নেয়ায় সড়কে যানজট নেই।

ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ জানান, ইজতেমায় কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই। তবে নাশকতারোধে বিদেশি নিবাসে আর্চওয়ে নির্মাণ, সিসিটিভিতে পর্যবেক্ষণ ও আশপাশে সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করছে। ইজতেমায় ১ মুসল্লির মৃত্যু বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে যোগ দিতে আসা এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। মৃত আব্দুর রহমান বগুড়ার মাঝবাড়ি এলাকার কছিমউদ্দিনের ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এদিকে, বিশ্ব ইজতেমা এলাকায় শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টা থেকে ৯টা ১০মিনিট পর্যন্ত বিদুৎ ছিল না। এতে সিসিটিভিসহ বিদ্যুৎচালিত মনিটরিং কাজ সাময়িক বিঘ্নিত হয়। তবে বিশ্ব ইজতেমার পরিচালনা কমিটির মুরব্বি প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ইজতেমা ময়দানের ভেতরে বিশেষ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সচল ছিল। এতে সমস্যা হয়নি।