সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে পেসার আল আমিনকে



4f742b04ed3c28d2523f16b745e2b46e-Al-aminঅস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলের পেসার আল আমিন হোসেনকে। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু) তাঁর বিরুদ্ধে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’র অভিযোগ তোলায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁর বদলি হিসেবে পেসার শফিউল ইসলামকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঢাকা থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসার জন্য অ্যামিরেটস এয়ারলাইন্সে আগামীকালের টিকিটও বুকিং দেওয়া হয়েছে তাঁর নামে।

বিসিবির দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য স্পষ্ট করে বলা হয়নি আল আমিন ঠিক কী ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। শুধু বলা হয়েছে ‘টিম রুলস’ ভাঙার অপরাধে তিনি বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে দলে থাকবেন না। তাঁকে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরত পাঠানো হবে। ম্যানেজারের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

আকসুর অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলছেন না টিম ম্যানেজমেন্ট বা বিসিবির কেউই। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড পরিচালক অবশ্য বলেছেন, ‘আকসু যদি সে রকম কিছু পেয়ে থাকে, তারাই এ ব্যাপারে পরবর্তী কার্যক্রম চালাবে।’

অসমর্থিত একটি সূত্র জানিয়েছে, গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আকসু ক্যানবেরা থেকেই আল আমিনের ওপর নজর রাখছিল। সেখানে সন্দেহজনক কিছু লোকের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎও নাকি করেছেন এই পেসার! ব্রিসবেনে যাওয়ার পরও ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত হোটেলের বাইরে ছিলেন আল আমিন। নিয়ম অনুযায়ী রাত ১০টার পর কোনো খেলোয়াড় হোটেলের বাইরে গেলে তাঁকে টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু আল আমিন ওই এক ঘণ্টা হোটেলের বাইরে ছিলেন টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি না নিয়েই।

আকসুর কাছ থেকে আল আমিনের ‘শৃঙ্খলাভঙ্গে’র তথ্য পেয়ে তাঁর ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্তই নিয়েছে বিসিবি। জানা গেছে, ব্রিসবেনে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান এবং কয়েকজন পরিচালক এ ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে একটি সভা করেছেন। আল আমিনকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তটি সেখানেই নেওয়া হয়।