শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

টাংগুয়ার হাওরকে পর্যটন এলাকা ঘোষনা সময়ের দাবী



shakir-tangua2

Nazir Hussain added 5 new photos.
47 mins ·

দেশের ২য় রামসার সাইট টাংগুয়ার হাওরকে পর্যটন এলাকা ঘোষনা দরকার। কিছুদিন আগে আমি এক দল ট্যুর অপারেটরদের ২০টি সংগঠনকে টাংগুয়ার হাওর টেকেরঘাট এবং বারিকিয়ার টিলা দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম । তারা TOAB এর নেতৃস্থানীয় ।
তারা সবাই অত্র এলাকার জলাশয় ও পাহড়ী সৌন্দর্য দেখে অভাভুত । এখানে কক্সবাজারের মত একসময় পর্যটন শিল্প গড়ে ওঠার বিষয়ে সবাই একমত। তখন হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান গড়ে ওঠবে এই পর্য্টন শিল্পকে ঘিরে। এই উদ্যোগ গুলি সফল করায় সবার সহযোগিতা কামনা করি ।

জাতীয়ভাবে অত্র এলাকাটি পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষনা দরকার। সরকার সংশ্লিষ্ট সবার এব্যাপরে দৃৃষ্টি আকর্ষন করছি।।

টাংগুয়ার হাওর এশিয়ার সর্ববৃহৎ জলাশয় বাংলাদেশের দ্বীতিয় রামসার এলাকা। পাখী মাছ সোয়াম ফরেষ্ট এর জন্য বিখ্যাত । টাংগুয়ার উত্তর সীমানা জুড়ে মেঘালয়ের পাহাড়শ্রেনী। বাগলী ও টেকের ঘাটের পরিত্যক্ত চুনাপাথর প্রকল্প,৫ কিলোমিটার দুরবর্তী বারিকিয়ার টিলা,যাদুকাটা নদী, শারপিনের মোকাম, রাজারগাও এর অদত্য আশ্রম অবস্থিত । টাংগুয়ার হাওর চার পাশের ইকোসিস্টেম অপূর্ব সৌন্দয্যের আধার । যাদুকাটা নদীর অগভীর স্বচ্ছ শলিল চলন্ত প্রবাহমান সুইমিং পোল হিসেব আকর্ষনীয় ।

মেঘালয়ের পাহাড়শ্রেনী ঘেরা বারীকিয়ার টিলা অপুর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দয্য প্রকৃতিপ্রেমীদের হৃদয়ের সম্পদ । শীতে টাংগুয়ার হাওরে অতীতি পাখী দেশী বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষন করে । বারিকিয়ার টিলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিদেশী পর্যটকরা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর বলে অভিহিত করেছেন । বান্দরবনের পাহাড়ী সৌন্দর্য মেঘালয়ের গিরিশৃংগরাজির দিগন্ত বিস্তৃত অপূর্ব মায়বী রংরাজির কাছে হার মানবে। কক্সবাজারের মহাকালের জলরাশীর ক্রুদ্ধ গর্জন টাংগুয়ার হাওরের শারদীয় শান্ত রূপের কাছে প্রকৃতিপ্রেমীদের মনের মাঝে হারিয়ে যাবে । সচ্ছ শলীলের চলন্ত ঝর্না যাদুকাটা নদী যেন বহমান সুইমিল পোল । যাদুকাটা নদীর পাড় ঘেষে মাইলব্যপী বালিয়াড়ী যেন অপূর্ব সীবিচ ।

shakir-tangua

এক অংগে এতরূপ কোথায় পাবে বাংলাদেশ:

সব গুলি উপাদান মিলিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিক্রির বিস্তৃর্ন পর্যটন এরিয়া নিয়ে হবে টাংগুয়ার হাওর ইকোজোন ।
এজ্ন্য লাউড়ের গড়,বারিকীয়ার টিলা ,টেকেরঘাট টাংগুয়ার হাওর পাড়ে পর্যটকদের জন্য সুযোগ সুবিধা গড়ে তুলে টাংগুয়ার হাওর ইকোজোন ধারনাটিকে বাস্তবায়ন সম্ভব ।

টাংগুয়ার হাওর ইকোভিলেজ প্রকল্পটি গড়ে ওঠবে যাদুকাটা নদীর কূল ঘেষে ৭০ বিঘা জমির উপর । এর উত্তরে মেঘালয়ের অপূর্ব সৌন্দর্য মন্ডিত গিরিরাজি সুইজারল্যান্ডের সৌন্দর্যকে হার মানাবে । স্বচ্ছ ও পরিশোধিত স্বল্প গভীর জলরাশির ঝর্নাধারা । যাদুকাটা নদীর পূরব পাড়ে স্থাপিত ইকো ভিলেজের পশ্চিম দিয়ে বয়ে যাওয়ার ফলে পর্যটকদের কাছে যাদুকাটা নদী প্রাকৃতিক সুইমিং পুল হিসেবে বিবেচিত হবে । ২কিঃমিঃ উত্তরে মেঘালয়ের পাহাড়ের কোলঘেষে বারিকিয়ার টিলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের গভীরভাবে আকর্ষন করবে । বারিকিয়া টিলায় পিকনিক,খেলাধূলা ও যাদুকাটা সাতারের ব্যবস্থা করা যাবে । যাদুকাটা নদীর বিশাল বালুতটে সীবিচের স্বাধ নিবে পর্যটকরা । শারপিনের মোকাম ও অদত্য মন্দির ও পরিদর্শন করতে পারবেন তারা ।

দশ কিঃমি: দূরে বাংলাদেশের ২য় রামসার সাইট টাংগুয়ার হাওর সুয়াম ফরেষ্ট ,অতিথি পাখী,মাছ এবং হাওর সৌন্দর্য্যর জন্য বিখ্যাত । পাশেই পাহড়ের কূলঘেষে পরিত্যক্ত টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প ,অতি নিকটে পাহড়ী সৌন্দর্য দেখে দেখে পর্যটকদের সময় কাটবে ভাল ।
পর্যটকদের জায়গাগুলি ঘুরে দেখানোর জন্য ৪টি আধুনিক ময়ূরপংকী নৌকা তৈরি করবে ইকো ভিলেজ । কিচেন টয়লেট এসি সজ্জিত থাকবে নৌকাগুলি ।

জলাভুমিতে ঘুরাঘুরি,টাংগুয়ার হাওরের পাখিদর্শন সবই সারা যাবে ময়ুরপংকী নৌকা দিয়ে ।
বাউল গান ,উপজাতীয় নৃত্য, লাটি,কুস্তি, হাডুডু খেলা এই রকম স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করে দেওয়া হবে পরর্যটকদের।।