রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সুনামগঞ্জে মেয়েকে না দেয়ায় বৃদ্ধাকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল ; আটক ০৪



সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের আলীগঞ্জ বাজারে মেয়েকে না পেয়ে বৃদ্ধ বাবাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে একদল বখাটে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার গভীররাতে। বৃদ্ধকে পেটানোর পর এক যুবক শরীরের আঘাতের চিহ্ন ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে ভিডিওটি রীতিমত ভাইরাল হয়।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের আলীগঞ্জ বাজারে মেয়েকে না পেয়ে বৃদ্ধ বাবাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে একদল বখাটে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার গভীররাতে। বৃদ্ধকে পেটানোর পর এক যুবক শরীরের আঘাতের চিহ্ন ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে ভিডিওটি রীতিমত ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ  চারজনকে আটক করেছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত কে এখনো আটক করতে পারেনি। আটককৃতরা হলেন গোতগাঁও গ্রামের লিটন মিয়া (৩০), আকাই মিয়া(২৭), আলম মিয়া (২৮), দিলাক মিয়া(২৫)।

পুলিশ আজ সকাল ১০ টায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বৃদ্ধ কে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও নির্যাতিত বৃদ্ধের পরিবারের লোকজন  জানান, সাত বছর আগে গোতগাঁও গ্রামের আনোয়ার আলীর মেয়ের বিয়ে হয় নবীগঞ্জ উপজেলার রাজারবাগ গ্রামের কবির মিয়ার সঙ্গে। দুই বছর আগে তাদের মধ্যে দাম্পত্য বিরোধ দেখা দিলে একমাত্র পুত্র সন্তান কে নিয়ে মেয়েটি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানে এলে গ্রামের আগুর মিয়ার বখাটে ছেলে শামীম মিয়ার কুনজর পড়ে মেয়েটির ওপর। প্রায়ই স্বামী পরিত্যক্তা ওই মেয়েটিকে উত্যক্ত ও কু প্রস্তাব দিত। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মেয়েটির বাবা গোতগাঁও থেকে আলীগঞ্জ বাজারে একটি কলোনিতে ঘর ভাড়া করে মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতে থাকেন। এক মাস আগে শামীম ওই কলোনি থেকে মেয়ে কে তুলে নিয়ে যায়। কিছু দিন আটক রেখে ধর্ষণ করে।  পরে মেয়েটি নবীগঞ্জ উপজেলা গ্রামে গৃহপরিচারিকার কাজ নেয়।

সোমবার রাত ১২ টার দিকে শামীম তার লোকজন নিয়ে আলীগঞ্জ বাজারের কলোনিতে গিয়ে মেয়েটির খোঁজ করে। মেয়ে কে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা আনোয়ার আলী (৬৫) কে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় তার বাড়িতে। সেখানে

রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত-জখম করে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে অভিযানে নামে।

মেয়েটির বাবা আনোয়ার আলী জানান, শামীমের অত্যাচারে মেয়ে কে নিয়ে তিনি বেকায়দায় পড়েছেন বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করে কোন প্রতিকার পাননি।

পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলেছুর রহমান জানান, শামীম এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে থানায় চুরি ও মাদকের মামলা রয়েছে।  মেয়েটিকে উত্যক্ত করা ও জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমি লোকমুখে শুনেছি।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত মুসলেহ উদ্দিন জানান, আমরা নবীগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে  নবীগঞ্জ থানার অভয়নগর গ্রাম থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করেছি। মুল আসামি শামীম কে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

পুলিশ আজ সকাল ১০ টায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বৃদ্ধ কে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও নির্যাতিত বৃদ্ধের পরিবারের লোকজন  জানান, সাত বছর আগে গোতগাঁও গ্রামের আনোয়ার আলীর মেয়ের বিয়ে হয় নবীগঞ্জ উপজেলার রাজারবাগ গ্রামের কবির মিয়ার সঙ্গে। দুই বছর আগে তাদের মধ্যে দাম্পত্য বিরোধ দেখা দিলে একমাত্র পুত্র সন্তান কে নিয়ে মেয়েটি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানে এলে গ্রামের আগুর মিয়ার বখাটে ছেলে শামীম মিয়ার কুনজর পড়ে মেয়েটির ওপর। প্রায়ই স্বামী পরিত্যক্তা ওই মেয়েটিকে উত্যক্ত ও কু প্রস্তাব দিত। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মেয়েটির বাবা গোতগাঁও থেকে আলীগঞ্জ বাজারে একটি কলোনিতে ঘর ভাড়া করে মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতে থাকেন। এক মাস আগে শামীম ওই কলোনি থেকে মেয়ে কে তুলে নিয়ে যায়। কিছু দিন আটক রেখে ধর্ষণ করে।  পরে মেয়েটি নবীগঞ্জ উপজেলা গ্রামে গৃহপরিচারিকার কাজ নেয়।

সোমবার রাত ১২ টার দিকে শামীম তার লোকজন নিয়ে আলীগঞ্জ বাজারের কলোনিতে গিয়ে মেয়েটির খোঁজ করে। মেয়ে কে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা আনোয়ার আলী (৬৫) কে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় তার বাড়িতে। সেখানে

রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত-জখম করে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে অভিযানে নামে।

মেয়েটির বাবা আনোয়ার আলী জানান, শামীমের অত্যাচারে মেয়ে কে নিয়ে তিনি বেকায়দায় পড়েছেন বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করে কোন প্রতিকার পাননি।

পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলেছুর রহমান জানান, শামীম এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে থানায় চুরি ও মাদকের মামলা রয়েছে।  মেয়েটিকে উত্যক্ত করা ও জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমি লোকমুখে শুনেছি।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত মুসলেহ উদ্দিন জানান, আমরা নবীগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে  নবীগঞ্জ থানার অভয়নগর গ্রাম থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করেছি। মুল আসামি শামীম কে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।