মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সুনামগঞ্জের করচার হাওরের ৩০০ হেক্টর জমির ধান পানির নীচে



807-8 (1)বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বৃহৎ করচার হাওরের ৭৫০ একর (৩০০ হেক্টর) বোর ধান পানিতে তলিয়ে গিয়েছে আরও জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কৃষকরা।  উপজেলার করচার হাওরে চলতি মৌসুমে বোর ধান কাটার শুরু থেকেই কাল বৈশাখীর ঝড় ও টানা বৃষ্টিতে হাওরের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতায় তৈরি হয়। শ্রমিক সংকটে একসাথে সব ধান কাটতে না পারায় বোর ধান তলিয়ে যেতে থাকে। বৃষ্টি ও উপর থেকে নেমে আসা পানি মুক্তিখলা-মল্লিকপুর খাল ও  বিভিন্ন নালা দিয়ে পানি প্রবেশ করে হাওরের ফসল তলিয়ে দিচ্ছে। কৃষকরা ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেও ধান কাটছেন, কিন্তু দ্রুত পানি বাড়ায় ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকে। মল্লিকপুর গ্রামের মোর্শেদ আলম বলেন তার করচার হাওরে ৫ বিঘা জমির বোর ধান তলিয়ে যায়। কৃষ্ণনগর গ্রামের কাজল ও বাবলু বর্মনের ৬ বিঘা করে ১২ বিঘা, হাবিব নগর গ্রামের তোলা মিয়ার ৪ বিঘা, বিশ্বম্ভরপুর গ্রামের বর্গাচাষী সুরেশের ৯ বিঘা, রাধানগর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ১১ বিঘা জমি করচার হাওরের বোর ধান তলিয়ে গেছে।
হাওর পাড়ের অনেক কৃষক জানান, শ্রমিক সংকটের কারণে করচার হাওরে ডোবরার পানিতে (জলাবদ্ধতায়) অনেক বোর জমির ধান তলিয়ে বিনষ্ট হয়েছে। বর্তমানে করচার হাওরে নিম্নাঞ্চল সম্পূর্ন পানিতে সাদা হয়ে আছে এবং ওই পানিতে রীতিমত  ঢেউ উঠছে। বৃহৎ করচার হাওর ছাড়াও সনার হাওর, সজনার হাওর, দুমপুর হাওরসহ, অন্যান্য হাওরেও কিছু কিছু ধান তলিয়ে বিনষ্ট হয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস হতে জানা যায় করচার হাওরে জলাবদ্ধতায় এ পর্যন্ত ৩০০ হেক্টর জমির বোর ধান তলিয়ে গেছে।