বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সীমান্তের দুর্গত এলাকার হতদরিদ্র ১৩’শ পরিবারের মাঝে সুনামগঞ্জ বিজিবি’র ত্রাণ সহায়তা



সোহানুর রহমান সোহান (স্টাফ রিপোর্টার):

পর পর তিন বার সুনামগঞ্জে বন্যায় আঘাত করেছে। এতে করে করে জেলার ৩০ লাখ জনগোষ্ঠি জনপদের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। টানা এক মাস ১২দিন বন্যার ভোগান্তির পরও এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। তাই খেয়ে না খেয়ে কোন মতে দিন পার করছেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। হাওরের মানুষ যেমন ভোগান্তিতে পড়ে অসহায় দিন যাপন করছেন ঠিক একই ভাবে সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকার মানুষ বন্যা, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে নাকাল হয়ে আছেন। আর সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকা দুর্গম হওয়ায় খুব একটা ত্রাণ সহায়তাও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পৌঁছায় না। তাই সীমান্তের দুর্গম এলাকার ১৩’শ পরিবারের মাঝে সুনামগঞ্জ বিজিবি ত্রাণ সহায়তা তুলে দিয়েছে।

সোমবার দিনব্যাপী বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনর উদ্যোগে সুনামগঞ্জ ২৮বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) আয়োজনে সীমান্ত এলাকার লাউরেরগড়, চানপুর, টেকেরঘাট, বালিয়াঘাটা, চারাগাঁও বিওপি এলাকায় এই ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।
টেকেরঘাট সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা মো. আখলাক মিয়া(৬০) বলেন, প্রতিবার যেকোন দুর্যোগে বিজিবি’র সাব এসে আমাদের সহায়তা করেন। আর যাই হোক, আমরা কিছু খেয়ে কোন মতে থাকতে পারি।

একই এলাকার শরিফা বিবি (৫৬) বলেন এর আগে বিজিবি আমাদেরকে বড়বড় ডাক্তার এনে চিকিৎসা দিয়েছেন সাথে ঔষধও দিয়েছেন। এই বার বন্যা আর পাহাড়ী ঢলে আমরা খুব অসুবিধায় পড়েছি এইবারও বিজিবি আমাদের সহায়তা করেছে। আল্লায় তাদের ভালো করুক।

সুনামগঞ্জ ২৮বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মাকসুদুল আলম বলেন, পরপর তিন বার সুনামগঞ্জে বন্যা আঘাত করেছে। এতে জনজীবন বিধ্বস্ত হয়ে আছে। পাহাড়ী ঢলে অনেকের বাড়িঘর নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে ১৩’শ প্যাকেট ত্রাণ সহায়তা পেয়েছি। সেই ত্রাণ আমরা সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকার অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে পৌঁছে দিয়েছি। করোনায় বিষয়ে সচেতনতা মূলক পরামর্শ দিয়েছি। এর আগেও করোনা শুরুর পর আমরা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ত্রাণ সহায়তা একই ভাবে দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। এই ত্রাণ কার্যক্রমে আমরা এলাকার জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যাক্তি বর্গকে নিয়ে এই কার্যক্রম গুলি পরিচালনা করি।