বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

প্রতারক সাহেদের অস্ত্র মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর



সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে র‍্যাব কর্তৃক আটকের সময়ের ছবি।

ডেস্ক রিপোর্টঃ

অস্ত্র মামলায় ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন সাতক্ষীরার ভার্চুয়াল আদালত। সাতক্ষীরার আমলি আদালতের বিচারক রাজীব রায় আজ রোববার শুনানি শেষে এই রায় দেন।

দেবহাটা থানায় দায়ের করা অস্ত্র আইনের এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা সাহেদ করিমের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে গত ২৩ জুলাই আবেদন করেছিলেন।

গত ১৫ জুলাই সকালে বোরকা পরে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় দেবহাটার কোমরপুরে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ সাহেদ র‍্যাবের হাতে ধরা পড়েন। পরে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে যান র‍্যাব সদস্যরা। সেদিন বিকেলে তাঁকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সাহেদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেখানে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষা শেষে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে আবার ডিবিতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ডিবি পুলিশ তাঁকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়। এরই মধ্যে সাহেদের মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব। ডিবি পুলিশ গত ২৩ জুলাই সাহেদকে র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করে।

এদিকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ১৫ জুলাই রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন র‌্যাব-৬-এর সাতক্ষীরা কোম্পানির উপসহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম। মামলার দুজন আসামি হচ্ছেন মো. সাহেদ ও বাচ্চু মাঝি। এ ছাড়া একজন অজ্ঞাতনামা আসামিও রয়েছে। ১৯৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ ধারা এবং ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।

এদিকে, রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদকে প্রতারণার চার মামলায় প্রতিটিতে সাত দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে সাহেদকে হাজির করা হলে পৃথক চার মামলায় আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাহেদকে হাজির করা হয়। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে পৃথক চার মামলায় ১০ দিন করে ৪০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

গত ১৬ জুলাই করোনা টেস্ট জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় মো. সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজের ১০ দিন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীর সাত দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।