সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

পুলিশ প্রহরায় থাকা টিলা থেকে পাথর উত্তোলন, শ্রমিকের মৃত্যু অত:পর ওসি প্রত্যাহার



bayes alam

সিলেট24 রিপোর্ট:

ছয় শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় সেখানে মোতায়েন ছিল পুলিশ। সেই পুলিশের প্রহড়া থাকাকালে সেখান থেকে আবারো উত্তোলন করা হচ্ছিল পাখর। কিন্তু বিধি বাম। আবারো ঘটল প্রাণহানীর ঘটনায়। ওসি বায়েছ আলমকে কয়েকদফা কল করলেও মৃত্যুর কথা স্বীকার না করে জানান এক শ্রমিক আহত হওয়ার কথা। সবশেষে আর কুল রক্ষা করতে পারেননি বায়েছ আলম। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) সুজ্ঞান চাকমা সিলেট২৪ কে বলেন, একজন নিহত হয়েছে, এ ঘটনায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনার সময় সেখানে ৪ জন পুলিশ থাকার কথা স্বীকার করেন এই কর্মকর্তা।এ ঘটনায় আব্দুল কাদের নামের পাথর ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ। নিহত শ্রমিকের নাম আনিছ (৩৬) ।

 গত ২৩ জানুয়ারি শাহ আরেফিন টিলা ধ্বসে পাঁচ শ্রমিক মারা যান বলে নিশ্চিত করে পুলিশ। যদিও স্থানীয়দের দাবি, সেদিন মারা যান ৮ জন।

২৩ জানুয়ারির ঘটনা তদন্তে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা হাকিম (এডিএম) আবু সাফায়াৎ মুহম্মদ শাহেদুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) আবুল হাসনাতকে প্রধান করে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে হয়।

দুটি কমিটিই তদন্তে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসন ও পুলিশের গাফিলতির প্রমাণ পায়। এডিএম ৩ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে ও এএসপি ৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সুপারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে শাহ আরেফিন টিলা ধ্বংসে ইজারাদারসহ ৪৭ ভূমিখেকোকে চিহ্নিত করা হয়। আর জেলা পুলিশের তদন্তে কোম্পানীগঞ্জের ওসিকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়।

নিহত আনিছ সুনামগঞ্জ সদরের আহমদাবাদ গ্রামের কমর উদ্দিনের ছেলে। আহত দুজন হচ্ছেন- একই জেলার সদর উপজেলার ইচ্ছাছড়া গ্রামের ওয়ারিছ আলীর ছেলে গফুর (২৫) এবং তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর গ্রামের সামছু মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (২৮)।